দুঃস্বপ্নের মতো দিনগুলো
একটা অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করা যাক। ফুলগাজীর উত্তর ধর্মপুর গ্রামটি একেবারেই নদীর কোলঘেঁষে। মুহুরী ও কহুয়া; দুই নদীর মিলনম্থল বলা যায়। গত মঙ্গলবার আমরাই প্রথম সেখানে খাদ্য ও মেডিকেল সামগ্রী নিয়ে সেখানে যাই। ওই গ্রামের প্রতিটি ঘরই অন্তত তিনদিন পানির তলায় ছিল। শিশু, বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সবাই আশ্রয় নেয় উচু এক রাস্তায়, সেটাও ছিল স্যাঁতসেঁতে। আমরা যখন সেই গ্রামে প্রবেশ করি, সবাই অঝোরে কাঁদতে লাগলো। প্রথমত ক্ষুধার্ত, দ্বিতীয়ত প্রায় সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, বিশেষ করে শিশুরা। অনেকের ঘর ভেঙে মিশে গেছে মাটিতে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও নেই, রাস্তার কিছু অংশ ভেঙে মিশে গেছে নদীতে। সব মিলিয়ে সবাই অসহায়।
গ্রামের ৬১ বছরের হাজেরা বেগম বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রটাও অনেক দূরে। প্রথমদিকে তারা মসজিদের ছাদে আশ্রয় নেন। নাতির সাহায্য নিয়ে ছাদে উঠে শুধু প্রাণটা বাঁচাতে পেরেছেন। প্রথম তিন দিন কোনো খাবারই জোটেনি। শুধু পানি খেয়ে ছিলেন।’













