এখনই নির্বাচন নয়। আগে রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাঠামোগত সংস্কার চাইছে বিএনপিসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হবে। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সংস্কার আনতে যে সময়ের প্রয়োজন তা দিতে সম্মত হয়েছে তারা।
একে একে সব দলের পক্ষ থেকেই আস্থা প্রকাশ করা হয়েছে ‘ইউনূস সরকারের’ প্রতি। তারা এ সরকারের সাফল্য কামনা করে যত দ্রুত সম্ভব ‘ছাত্র-জনতা হত্যাকারী’ আওয়ামী লীগ সরকারের প্রত্যেককে বিচারের আওতায় আনার দাবি করেছে। এ ছাড়া মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও গায়েবি মামলা-মোকদ্দমার নিষ্পত্তি এবং পতিত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে গৃহীত গণবিরোধী কার্যক্রমের বিচার দাবি, ১৫ আগস্টসহ বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক রাষ্ট্রীয় ছুটি বাতিলেরও দাবি জানানো হয়েছে এ সরকারের কাছে। একই সঙ্গে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যাকারী ব্যক্তি ও দল ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বিকালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে জাতীয় নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির জন্য সংস্কার সাধনে সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়ার কথা জানানো

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন
হয়। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বিএনপির পক্ষে নেতৃত্ব দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, (সদ্যভারত প্রত্যাগত) সালাহউদ্দিন আহমেদ ও বেগম সেলিমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।













