ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠছে গোটা ক্যাম্পাসের পরিবেশ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। তার শিক্ষার্থীদের কথা শুনতে ও প্রচারণা চালাতে শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। আবার অনেকে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে চালাচ্ছেন নানা ধরনের প্রচার। পাশাপাশি নির্বাচনের ইশতেহার তৈরির জন্য সংগ্রহ করছেন শিক্ষার্থীদের মতামত।
এদিকে বৃহস্পতিবার সবার শেষে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যে’র পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা হয়েছে। এছাড়াও আপ্যায়ন, অর্থ-সহযোগিতাসহ পাঁচ ধরনের কাজ প্রার্থীরা করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে প্রশাসন। দীর্ঘ ৬ বছর পর আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাকসু নিবর্বাচন। বুধবার শেষ হয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়।
ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৫০৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এছাড়া ১৮টি হলের সংসদ নির্বাচনের জন্য মোট ১ হাজার ১০৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এখন মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে বৃহস্পতিবার থেকে ক্যাম্পাসে কী কী কাজ করতে পারবেন না প্রার্থী তা জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনার।
১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এসব কাজ করতে পারবেন না তারা। ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোনো প্রার্থী/পক্ষ আজ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বপ্রণোদিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক কোনো ধরনের সেবামূলক কাজে অংশ নিতে পারবেন না, কোনো ধরনের উপঢৌকন বিলিবণ্টন করতে পারবেন না, এমনকি আপ্যায়ন করানো, অর্থ সহযোগিতা করা কিংবা অনুরূপ কোনো কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবেন না।













