সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর লুটপাটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ও সুবিধাভোগী ৪২ জন রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালীর নাম উঠে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক প্রতিবেদনে। সেই প্রতিবেদনে বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামী লীগ, এনসিপির নেতাসহ সব মিলিয়ে ৫২ ব্যক্তির নাম রয়েছে। আছে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিজিবি সদস্যের নামও।
দুদকের এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর থেকে কয়েক শ কোটি টাকার পাথর লুট করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সুবিধাভোগী হিসেবে খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিগত এক বছরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দায়িত্ব পালনকারী চার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি এবং বিজিবি সদস্যের নাম উঠে এসেছে। সংস্থা ও প্রশাসনের লোকজন ছাড়াও পাথর লুটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ), এনসিপিসহ ৪২ জন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকার এনফোর্সমেন্ট বিভাগের নির্দেশে গত ১৩ আগস্ট সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথরে অভিযানে যায় দুদক সিলেটের সমন্বিত কার্যালয়ের প্রতিনিধিদল। উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সাদাতের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের দলটি অভিযান শেষে তাদের প্রতিবেদন পাঠায়।













