ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে জঙ্গীরা হামলার হুমকি দেয়ার পর বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার সেখানে গিয়েছিলেন মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে।
দলের সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে নয় সদস্যের এই প্রতিনিধিদলটি সেখানে কিছুটা সময় কাটান এবং মিশনের কর্মকর্তাদের যে কোন বিপদে পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন।
রামকৃষ্ণ মিশনে হামলা এবং এর প্রধানকে হত্যার হুমকি দিয়ে উড়ো চিঠি আসে কয়েকদিন আগে। বাংলাদেশে একের পর ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের ওপর একের পর এক সন্ত্রাসী হামলার পটভূমিতে এই হুমকির পর মিশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর পর সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে বিএনপির তরফ থেকে এটি এ ধরণের প্রথম কোন পদক্ষেপ।
এই হুমকির পর এর আগে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারাও রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করেন।
রামকৃষ্ণ মিশনে গিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জাতীয় সমঝোতা ছাড়া জঙ্গী হামলা বা গুপ্তহত্যা বন্ধ করা সম্ভব নয়।
“হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এবং মুসলমান সকলেই হামলার শিকার হচ্ছে। এটা কোন সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। জঙ্গীবাদের উত্থান হলে আমরা কেউ নিরাপদ নই। সে কারণে আমরা সব হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করেছি। রামকৃষ্ণ যেহেতু প্রতিষ্ঠান এবং তাদের ওপর হুমকি এসেছে। সেজন্য আমরা এখানে এসে সহানুভূতি জানিয়েছি।”
বিএনপির প্রতিনিধিদল রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ ধুবেশা নন্দজী মহারাজের সঙ্গে কথা বলেন। তারা রামকৃষ্ণ মিশনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জঙ্গীদের হামলার হুমকির পর থেকে রামকৃষ্ণ মিশনের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। গেটের বাইরে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে।













