সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। সারা দেশেও লাখ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। অন্যান্য দেশের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই রোগে আক্রান্তের হার অনেক বেশি।
সময়মতো ডায়াবেটিসের চিকিৎসা না করা হলেলে এটি মারাত্মক হতে পারে।আমরা প্রায়ই পড়ি এবং শুনি যে, মেথি বীজ ডায়াবেটিসের জন্য খুবই উপকারী। তাই এই প্রবন্ধে আমরা এই দাবির পেছনের সত্যতা অন্বেষণ করব।
মেথি বীজ কতটা উপকারী
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য ওয়েবসাইট মেডিক্যাল নিউজ টুডের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি বীজের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ইনসুলিন প্রতিরোধের মতো ডায়াবেটিস জটিলতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
আরো পড়ুন

শুকনা খাবারে লবণ বেশি হলে কী করবেন
ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করা
ইনসুলিন প্রতিরোধ বলতে শরীরের কোষগুলোর ইনসুলিনের প্রতি প্রতিক্রিয়া বোঝায়।যখন ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বেশি থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো গ্লুকোজ আরো কার্যকরভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়।
২০১৮ সালের একটি গবেষণায় ১০ দিন ধরে ব্যক্তিদের মেথি বীজ খাওয়ার মূল্যায়ন করা হয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন যে মেথি বীজ ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
অন্ত্রে গ্লুকোজ শোষণ কমানো
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করে না বা যতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা উচিত ততটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করে না।এর অর্থ হলো রক্তে অতিরিক্ত চিনি থেকে যায়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে।

শীতকালে কি আসলেই ব্লাডপ্রেশারের মাত্রা বেড়ে যায়?
গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি বীজ গ্লুকোজ শোষণের হার কমায়। যদি মেথি অস্ত্রে উচ্চ গ্লুকোজ মাত্রার শোষণ কমাতে পারে, তবে এটি হাইপারগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করতে পারে (হাইপারগ্লাইসেমিয়া মানে অত্যধিক উচ্চ রক্তে শর্করা বা গ্লুকোজের মাত্রা)।
উপরন্তু, ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মেথির বীজযুক্ত উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ানো ইঁদুরদের গ্লুকোজ সহনশীলতা মেথি না খাওয়া ইঁদুরের তুলনায় ভালো ছিল। তবে, কম চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ানো ইঁদুরদের গ্লুকোজ সহনশীলতার কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।
ডায়াবেটিসের জন্য মেথির পানি কতটা উপকারী
মেথি বীজ বিভিন্নভাবে শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রাকে প্রভাবিত করে। একটি গবেষণা অনুসারে, প্রায় ১০ গ্রাম মেথি বীজ গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করতে পারে।













