বাণিজ্যিক হোটেল, অত সকালেও বিশাল লবিতে বেশ ভিড়। কফি শপের একটা টেবিল দখলে নিয়ে দিনভর পর্যবেক্ষণে বসে এক সনাৎ জয়াসুরিয়াকেই শুধু পাওয়া গেল, যিনি বাংলাদেশের অমন ব্যাটিং ধসকে ‘স্রেফ একটি দুর্ঘটনা’ বলছেন।
টিম হোটেলে কিছু নজরদারি থাকে, বিশেষ করে সংবাদকর্মীদের প্রবেশাধিকারের ব্যাপারে। তবে শ্রীলঙ্কায় এখনো তেমন সমস্যা হয়নি।তবে আগের রাতে প্রেমাদাসায় লেজেগোবরে করে আসার পর হোটেল কর্তৃপক্ষকে যদি টিম বাংলাদেশ কানে কানে কিছু বলে থাকে, অতীতে এমন হয়েছে! না, ঢুকতে কোনো বাধার মুখোমুখি হতে হয়নি। তবু সতর্কতা হিসেবে কফি নিয়ে বসে পড়া লবিতে।
বসতে না বসতেই দেখা গেল, লিফট থেকে বেরোচ্ছেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন। তাঁর পেছন পেছন হেড কোচ ফিল সিমন্স, জ্যেষ্ঠ সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস।একটা মিটিং রুম আছে বাংলাদেশ দলের। কিন্তু সেটির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বিকল থাকায় তাঁরা নেমে এসেছেন লবিতে। কফি শপের সামনেই বসার অভিপ্রায় ছিল। কিন্তু সংবাদকর্মীর নাকের ডগায় বসে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল নির্বাচনী সভা করা ঠিক হবে না ভেবেই কি না, পাশের এক্সিকিউটিভ লাউঞ্জের কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ঢুকে পড়েন তারা।
অন্য দিন হলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের সম্ভাব্য দল জানার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করতেন সংবাদকর্মীরা।













