এদিকে গার্মেন্ট খাতের দুই শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোতে এবার বেতন-বোনাস নিয়ে তেমন কোনো সংকট না থাকলেও এই দুই সংগঠনের সদস্যভুক্ত নয়, এমন প্রায় ৫০০ ছোট-মাঝারি গার্মেন্ট কারখানায় বেতন ও বোনাস উভয়ই দেওয়া নিয়ে সংকট রয়েছে। এসব কারখানার কোনোটি বড় কারখানার পোশাক সাব-কন্ট্রাকটিংয়ে কাজ করে, কোনো কারখানা ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের পোশাক তৈরি করে, আবার কোনো কারখানা মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্ডারের ভিত্তিতে পোশাক তৈরি করে।
এই শ্রমিক নেতা আরো বলেন, ‘বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সদস্যভুক্ত কারখানায় বেতন নিয়ে তেমন কোনো জটিলতা না থাকলেও আমাদের শ্রমিক সংগঠনের কাছে থাকা তথ্যানুযায়ী এখনো অর্ধেক কারখানায় বোনাস দেওয়া হয়নি। তবে আশা করব এখনো যে দুই দিন বাকি রয়েছে তার মধ্যেই দেওয়া হবে।’
অবশ্য শ্রমিক নেতাদের এ তথ্য মানতে নারাজ বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা। বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত বিজিএমইএর ঢাকা ও চট্টগ্রামের সদস্যভুক্ত কারখানার বেতন-বোনাস দেওয়ার পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র উল্লেখ করে কালের কণ্ঠকে বলেন, বর্তমানে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত চালু কারখানার সংখ্যা দুই হাজার ১৫১টি। এর মধ্যে ঢাকার চালু কারখানা এক হাজার ৮৯৪টি এবং চট্টগ্রামের চালু কারখানা ২৫৭টি। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত মার্চ মাসের বেতন দেওয়া হয়েছে দুই হাজার ১১২টি কারখানায়। যার হার ৯৮.১৯ শতাংশ। এখনো পর্যন্ত ৩৯টি কারখানায় মার্চ মাসের বেতন দেওয়া হয়নি। গতকাল পর্যন্ত ঈদুল ফিতরের বোনাস দেওয়া হয়েছে এক হাজার ৬৭৩ কারখানায়, যার হার ৭৭.৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ এখনো ৪৭৮টি গার্মেন্ট কারখানায় বোনাস দেওয়া হয়নি। আশা করা হচ্ছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে এ কারখানাগুলোতেও বোনাস দেওয়া হয়ে যাবে। এ ছাড়া চলতি এপ্রিল মাসের আংশিক বেতন দিয়েছে এক হাজার ৬৫৬টি কারখানায়।













