তারা বলেন, সামরিক অভ্যুত্থানের দুই বছর পরও মিয়ানমারে শান্তি ফেরার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নমনীয় হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। বরং নমনীয় হওয়ার পরিবর্তে সামরিক শাসন ধরে রাখার প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যতক্ষণ না সামরিক বাহিনীকে ক্ষমতা ছাড়তে চাপ দিতে পারে, ততক্ষণ পর্যন্ত মিয়ানমারে শান্তি ও গণতন্ত্রের সম্ভাবনা ক্ষীণ থেকে যাবে।
সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, এ অঞ্চলের সাংঘর্ষিক ভূ-রাজনীতি অনেক পুরনো। এখানে ভারত চীনকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে। আবার চীন ভারতকে একদিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ‘বার্মা অ্যাক্ট’ এ অঞ্চলের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতিকে আরো জটিল করতে পারে। এটি হয়তো আমাদের জন্য ভালো হবে না।
রোহিঙ্গাদের এনইউজি কীভাবে দেখে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা আমাদের লোক এবং তারা আমাদের একজন।’
তিনি আরো জানান, মিয়ানমারের ৫০ ভাগের বেশি অঞ্চল এনইউজি নিয়ন্ত্রণ করে। এ পর্যন্ত মিয়ানমার জান্তার ২০ হাজারের বেশি সেনার মৃত্যু হয়েছে।
এনইউজির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই যুদ্ধে অবশ্যই তারা জিতবেন। শূন্য থেকে শুরু করে তাদের সেনা সংখ্যা এখন তিন লাখেরও বেশি।
রোহিঙ্গা প্রতিনিধি হ্লা মিন্ট বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এখন এক হচ্ছে। কারণ আমরা বুঝতে পেরেছি, এক না থাকলে আমাদের সমস্যা হবে।’
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ‘ইস্টার্ন অ্যাপ্রোচ’ (চীনের নীতি) অনুসরণ করছে, যা ব্যর্থ হয়েছে। এখন আমাদের পশ্চিমা নীতি (বার্মা অ্যাক্ট) অনুসরণ করা প্রয়োজন।













