দেশীয় ফলের ভান্ডার ফুরিয়ে এলে বছরের শেষভাগে কদর বাড়ে বিদেশি ফলের। সাধারণত সেপ্টেম্বর মাস থেকেই বাজারে বিদেশি ফলের চাহিদা বাড়তে থাকে এবং সে অনুযায়ী আমদানিও বাড়ান ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এবার বাজারের চিত্র ভিন্ন। চলতি মৌসুমে আপেল, কমলা, মাল্টা ও আঙুরসহ বিদেশি ফলের আমদানি ৪০ শতাংশ কমেছে। সেই সঙ্গে বাজারে এসব ফলের দামও বেড়েছে। এতে ফল কিনে খেতে পকেট পুড়ছে সাধারণ ক্রেতার।
বাংলাদেশ ফ্রেস ফ্রুট ইম্পোরটার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বলছে, বছরের শেষভাগে দেশি ফল ফুরিয়ে আসে, এ সময় বিদেশি ফল দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে থাকে। দেশের চাহিদার প্রায় ৩৫ শতাংশ ফল দেশেই উৎপাদিত হয় এবং বাকি ৬৫ শতাংশ ফল বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কিন্তু এবার ফল আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ হওয়ায় এবং আমদানিতে ঋণসুবিধা উঠে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা। সংগঠনটি বলছে, গত তিন মাসে আপেল, মাল্টা, কমলার মতো বিদেশি ফল আমদানি ৪০ শতাংশ কমে গেছে। আমদানিকারকরা বলছেন, একদিকে ডলার-সংকট মোকাবিলায় সরকার ফল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক।













