মানুষ মাটির শত্রু !

প্রতিবেদক:-

ডেইলি বাংলা বাজার

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের জমির বিশাল অংশের জৈব উপাদানের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে সময়ের ফসল সময়ে উৎপাদন হচ্ছে না।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা কৃষির অপরিকল্পিত নিবিড়করণ, পরিকল্পনাহীন শস্য আবর্তন, নানা উচ্চফলনশীল শস্যের চাষ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাটিতে জৈব উপাদানের ঘাটতি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্রমতে, লবণাক্ততার কারণে এরই মধ্যে ১৮ জেলার ৯৩ উপজেলার ১০ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর কৃষিজমির মাটি কম-বেশি দূষিত হয়ে পড়েছে। জৈব উপাদানের ঘাটতি ধরা পড়েছে ৫২ লাখ হেক্টর কৃষিজমিতে।

মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) অন্য এক সূত্র জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে মাটিতে জৈব সার রিসাইক্লিং হচ্ছে না, বরং ক্ষয় হচ্ছে। জৈব পদার্থ মাটির প্রাণ। এটা গাছের পুষ্টি ধরে রাখে এবং মাটির নিবিড়তাও রক্ষা করে। অজৈব রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহার মাটির উর্বরতা কমিয়ে দিচ্ছে। সরকারি এ সংস্থার হিসাব দেশের ৭ লাখ হেক্টর জমিতে জৈব পদার্থের ঘাটতি রয়েছে বলা হলেও একাধিক বেসরকারি সংস্থার হিসাব তা ৫২ লাখ হেক্টরের কম নয়। এ অবস্থায় গোবর, মুরগির বিষ্ঠা, সবুজ সার, কম্পোস্ট ইত্যাদি সঠিকভাবে পচিয়ে প্রতি শতাংশ জমিতে ১০ থেকে ২০ কেজি করে প্রয়োগ করলে ধীরে ধীরে মাটি উর্বরতা ফিরে পাবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসিরুজ্জামান সভ্যতাকেই মাটির সবচেয়ে বড় শত্রু মনে করেন। সভ্যতার কারণে মাটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মাটি দূষণের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের ৬ কোটি লোক উদ্বাস্তু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইটভাটা, রাস্তা ও ভবন নির্মাণ এবং পুকুর খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ক্রমাগত মাটির ওপরের স্তর নষ্ট হচ্ছে। এ াড়া ভূগর্ভস্থ পানি উঠানোর কারণে সমুদ্রের নোনা পানির সম্প্রসারণ ঘটছে, বাড়ছে লবণাক্ততা। এ কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ চাষাবাদ করতে পারছে না। আঘাত হানছে সিডর, আইলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও। তিনি বলেন, আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাসের মতো গাছের পরিবর্তে সরকারি রাস্তার পাশে পরিবেশবান্ধব গাছ লাগাতে হবে। জুম চাষ ও মাটি কাটার কারণে পাহাড়ে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।

সংকট থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মৃত্তিকাবিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, পাহাড়, উপকূল, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা নদীর তলদেশসহ দেশের কোন কোন অঞ্চলের মাটির কী কী সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। মাটিকে প্লাস্টিকের হাত থেকেও রক্ষা করতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে চরাঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন জমিকে কাজে লাগাতে হবে। ইতোমধ্যে জেগে ওঠা চরের মাটিকে কাজে লাগিয়ে অনেক কৃষক ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন। জৈব কৃষির উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় ধৈঞ্চা ও মান্দার গাছ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ছাড়াও পরিবেশবান্ধব ভার্মিকম্পোস্টের ব্যবহার বাড়িয়ে কৃষির উৎপাদন খরচ কমাতে হবে।

মৃত্তিকাবিজ্ঞানীদের মতে, গত এক দশকে দেশের কৃষিজমিতে ৪০ শতাংশ জৈব উপাদান কমে গেছে। ফসল উৎপাদন ঠিক রাখতে মাটির জৈব উপাদান শতকরা সাড়ে ৩ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও দেশের ৭ লাখ হেক্টর জমির মাটিতে এ উপাদান ১ শতাংশের নিচে। প্রায় ৪০ লাখ হেক্টর জমির এ উপাদান ২ শতাংশের নিচে। ফলে মাটি উর্বর রাখতে যে অণুজীব কাজ করে, তা ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। মাটির স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে জৈব সারের গুণগত মান ঠিক রেখে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন বাড়ানো জরুরি। সেই সঙ্গে তদারকি ব্যবস্থা জোরদারে জৈব সারের গুণগতমান নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

কৃষির অপরিকল্পিত নিবিড়করণের ফলে প্রচলিত শস্য আবর্তনগুলো যেমন, ধান-শিম-ধান, ধান-ডাল-ধান ইত্যাদি ভেঙে পড়াই মূলত মাটিতে জৈব উপাদানসহ নানা পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি তৈরি করছে। তা ছাড়া উচ্চফলনশীল জাতের শস্যের আবাদ বেড়ে যাওয়াকেও অন্যতম কারণ হিসেবে শনাক্ত করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ জৈব সার জমির উন্নত মাটির গঠন নিশ্চিত করে, মাটিতে বায়ু চলাচলের পরিমাণ বাড়ায়, পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি ও সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখে। জৈব সার বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উচিত, কৃষক পর্যায়ে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করা।

তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৩ সালের জরিপে দেশের শতকরা ২৫ ভাগ জমিতে জৈব পদার্থের ঘাটতি দেখা গিয়েছিল। ১৯৯৮ সালের পর থেকে ১২ লাখ হেক্টরেরও বেশি জমিতে জৈব পদার্থের মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কমেছে। এসআরডিআইর বিজ্ঞানীদের মতে, এক দশক ধরে মাটিতে জৈব উপাদান ছাড়াও ফসফরাস, পটাশিয়াম, সালফার, জিংক, বোরন ও অন্যান্য উপাদানের পরিমাণ বিপজ্জনক হারে কমে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর বোরন ও জিংক ঘাটতির জমি বেড়েছে শতকরা ৪০ ও ১৮ ভাগ। উপরন্তু সালফার, পটাশিয়াম ও ফসফরাস ঘাটতির জমি বেড়েছে যথাক্রমে শতকরা ৫০, ৪৫ ও ১৭ ভাগ। দেশে সারের ব্যবহার বৃদ্ধির পরিসংখ্যান নিলে এ ঘাটতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে কৃষিজমি না বেড়ে বরং ১ শতাংশ হারে কমতে থাকলেও নানা রকম রাসায়নিক সারের ব্যবহার বেড়েছে দ্বিগুণ। মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের মতে, গত এক দশকে দেশের কৃষিজমিতে ৪০ শতাংশ জৈব উপাদান কমেছে। ফসল উৎপাদন ঠিক রাখতে মাটির জৈব উপাদান শতকরা সাড়ে ৩ শতাংশ থাকার কথা থাকলেও দেশের অধিকাংশ অঞ্চলের জমিতে এ উপাদান এক বা এর নিচে। মৃত্তিকা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কৃষির অপরিকল্পিত নিবিড়করণের ফলে প্রচলিত শস্য আবর্তনগুলো ভেঙে পড়া মাটিতে জৈব উপাদানসহ নানা পুষ্টি উপাদানের ঘাটতির অন্যতম কারণ। তা ছাড়া উচ্চফলনশীল জাতের শস্যের আবাদ বেড়ে যাওয়াকেও অন্যতম কারণ হিসেবে শনাক্ত করেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্য-উপাত্ত বলছে, আগে দুবার ধান চাষের মাঝখানে শিম বা নানা জাতের ডাল চাষ করা হতো। কারণ প্রাকৃতিক উপায়েই শিম বা ডাল ফসল মাটিতে জৈব উপাদান যোগ করে। অর্থাৎ ধান চাষে যা ঘাটতি হয়, এ ফসলগুলো তা পুষিয়ে দেয় মাটিকে। অন্যদিকে উফশী ফসলের উৎপাদন বেশি হলেও, চিন্তার বিষয় যে তা মাটি থেকে প্রচুর পুষ্টি উপাদান টেনে নেয়। অন্যদিকে, মাটিতে গাছের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় যে পুষ্টি উপাদান গাছ কর্তৃক অপসারিত হয়, সেই হারে মাটিতে যোগ হয় না। আমাদের দেশের কৃষকরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনুমাননির্ভর সার প্রয়োগ করে থাকেন। ফলে দিন দিন মাটির স্বাস্থ্য বা উর্বরা শক্তি কমে যাচ্ছে।

মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) পরিচালক বিধান কুমার ভা-ার আমাদের সময়কে জানান, জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের বিরূপ প্রভাবে মাটি যে স্বাস্থ্য হারাচ্ছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে আমরা এ জন্য চিন্তিত নই। লবণসহিষ্ণু জাতের ফসল উৎপাদনে জোর দেওয়া হয়েছে। বোরোর উৎপাদন দক্ষিণবঙ্গে নেওয়ার কাজ চলছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত লবণাক্ত মাটির জন্য তরমুজ, বাঙ্গি, করলা, ঝিঙ্গা ইত্যাদি চাষে কৃষককে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

  • যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি বাতিল বা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে লন্ডনের অবস্থানের প্রতি অসন্তোষের জেরে এই মন্তব্য এসেছে বলে দ্য টেলিগ্রাফের  প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।  যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী রেচেল রিভস মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। রেচেল রিভস বলেন, কোনো স্পষ্ট “এক্সিট প্ল্যান” ছাড়া যুদ্ধ শুরু করা একটি বড়…

  • রেফারি ম্যাচ ডাকাতি করেছেন’ বলায় নিষিদ্ধ হতে পারেন রাফিনিয়া

    রেফারি ম্যাচ ডাকাতি করেছেন’ বলায় নিষিদ্ধ হতে পারেন রাফিনিয়া

    চোটের কারণে মাঠের বাইরে রাফিনিয়া। বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান তারকাকে তাই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ক্লাবের ছিটকে পড়া দর্শক হিসেবে দেখতে হয়েছে।  চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারলেও গতকাল রাতে ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। কিন্তু দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলে পিছিয়ে থাকায় বার্সার পথচলা থমকে গেছে। আতলেতিকো উঠে গেছে সেমিফাইনালে।…

  • হঠাৎ ইরান গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, নেপথ্যে কী?

    হঠাৎ ইরান গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, নেপথ্যে কী?

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ফের আলোচনা শুরু করার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার তিনি তেহরানে পৌঁছেছেন। ইরানের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরানে…

  • বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

    বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

    বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম। ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল। তালিকাটি সাধারণত বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও…

  • লোককবি ফকির মহব্বত শাহ

    লোককবি ফকির মহব্বত শাহ

    লোককবি ফকির মহব্বত শাহজামিল জাহাঙ্গীর🇧🇩♥️🇧🇩লোক গবেষক, কবি ও গীতিকার ফকির মহব্বত শাহ—যিনি মনু মহব্বত নামে কবিতা লিখতেন—বৃহত্তর নোয়াখালীর লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একনিষ্ঠ সাধক ছিলেন। ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল তিনি চিরকালের ঠিকানায় পাড়ি জমান। গতকাল ছিল তাঁর দ্বিতীয় প্রয়াণবার্ষিকী—এক নীরব স্মরণ, এক অপূর্ণ দায়ের প্রতিধ্বনি। জনতা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করলেও তাঁর প্রকৃত…

  • চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

    চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

    ইসলামাবাদে দীর্ঘ আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো চুক্তি হয়নি, তবে কয়েকটি বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে এখনো ২ থেকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। তিনি বলেন, ৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া সংঘাতের পর এই আলোচনা…

  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা

    বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা

     অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বিচার বিভাগের কাঠামো ও স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আইনজ্ঞদের আশঙ্কা, এর ফলে বিচার বিভাগ আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে এবং…

  • পরিকল্পিত হামলায়   পীর শামিম রেজাকে  হত্যা, ভাঙচুর-দরবারে আগুন

    পরিকল্পিত হামলায় পীর শামিম রেজাকে হত্যা, ভাঙচুর-দরবারে আগুন

    পরিকল্পিত হামলায় পীর শামিম রেজাকে হত্যা, ভাঙচুর-দরবারে আগুন। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় নামক স্থানে গড়ে ওঠা কথিত এক পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আস্তানার প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিম (৬০) নিহত হয়েছেন। এসময় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…

  • মহান একুশে বইমেলায়  অংশ নিবে না ৩৫০ প্রকাশনী : বাংলা একাডেমীর ডি. জি’র পদত্যাগ চায়   ‘প্রকাশক ঐক্য’

    মহান একুশে বইমেলায় অংশ নিবে না ৩৫০ প্রকাশনী : বাংলা একাডেমীর ডি. জি’র পদত্যাগ চায় ‘প্রকাশক ঐক্য’

    মহান একুশে বইমেলায় অংশ নিবে না ৩৫০ প্রকাশনী। বাংলা একাডেমীর ডি. জি’র পদত্যাগ চায় ‘প্রকাশক ঐক্য’। বাংলা একাডেমীর চরম অব্যবস্থাপনা ও বৈষম্য অনেক বছর ধরে চলছে। নানাবিধ অনিয়ম ও অযোগ্যতার কারণে এই অচল অবস্থা। বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা হয়। বইমেলার মতো বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড নিয়ে চরম ব্যস্ত থাকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা । ফলঃত…

  • জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই বিএনপি সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।  তারেক রহমান বলেন, শুরুতেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি। তাঁবেদার মুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে, জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি নতুন সরকার…

  • আফরোজা খানম রিতার বিপুল বিজয়ের  কারণ সততা, সক্রিয়তা ও পিতার উত্তরাধিকার

    আফরোজা খানম রিতার বিপুল বিজয়ের কারণ সততা, সক্রিয়তা ও পিতার উত্তরাধিকার

    আফরোজা খানম রিতার বিপুল বিজয়ের কারণ সততা, সক্রিয়তা ও পিতার উত্তরাধিকার । জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা। এই বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার নেপথ্যে কয়েকটি বিষয়টি নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা নির্বাচনের…

  • তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা মার্কিন দূতাবাসের

    তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা মার্কিন দূতাবাসের

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।  আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক…