সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, বিশেষ করে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে ভুয়া তথ্য প্রচার এবং রাজনৈতিক নেতাসহ বিশিষ্টজনদের চরিত্রহানি এখন চরমে। কটূক্তি, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক মন্তব্যে কোনো লাগাম নেই। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। ভুয়া ছবি-ভিডিও তৈরিতে ব্যবহূত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি, ডিপফেক ভিডিও।একটি দলের পক্ষ থেকে কয়েক মাস আগে প্রকাশ্যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে প্রতিপক্ষের চৌকস নেতাদের মুখোশ খুলতে, তাঁদের চরিত্র হনন করতে। সম্ভাব্য এই আক্রমণ, অশ্লীলতার জবাব দিতে অন্য দলের পক্ষ থেকেও তাদের কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় হতে বলে।
এই পরিস্থিতিতে দেশ, রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি নিয়ে কোনো পোস্ট দিতে ভয় পাচ্ছেন সজ্জন ব্যক্তিরা। তাঁদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে—‘ফেসবুক এ দেশে এখনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে উঠল না।
এটা চলে গেছে মূর্খ আর ইতরদের দখলে। ফেসবুককে এখন পাবলিক টয়লেটের দেয়াল মনে হচ্ছে। উগ্রতা, অশ্লীলতা এখন চরম পর্যায়ে। যার যা খুশি মন্তব্য করছে, গালাগালি করছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়িয়ে রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে ব্যানার-ফেস্টুনে, স্লোগানেও ব্যবহৃত হচ্ছে ভদ্রসমাজে উচ্চারণ করা যায় না এমন সব শব্দ।’ এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কর্মকর্তারাও উদ্বিগ্ন। সামনে নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এআই ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার রোধ এবং নির্বাচন আচরণবিধি প্রতিপালন করানোকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন গত ৯ আগস্ট
রংপুরে নির্বাচনসংক্রান্ত মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের এই চ্যালেঞ্জ ও উদ্বেগের কথা জানান













