সিলেটে হাওর, পাহাড়, পাথর, বনে লুট ও পাট চলছে। পরিবেশ বিধ্বংসী এসব উৎসব জনতা জানে না। সচেতন নয় তাই লুটপাট চলছে । সকল হাওর মাছ শুন্য, সকল পাহাড় গাছ শুন্য।
লুটের ঘটনায় সিলেটের দুইটি পর্যটন স্পট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদা পাথর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সিলেট অঞ্চলে রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ইকোপার্ক, বিপুল মৎস্য সম্পদে ভরা অগণিত হাওর, খাল-বিল, অতুলনীয় দৃষ্টিনন্দন স্রোতস্বিনী মাধবকুন্ড ও হামহাম জলপ্রপাত। এখানে রয়েছে সারি সারি পাহাড়ের গায়ে সবুজ মায়া আর রূপলাবণ্যের পেখম ছড়ানো অসংখ্য চা-বাগান। সিলেটের মাটি অপার রত্মগর্ভা
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) পর্যন্ত অভিযানে অভিযানে প্রায় ১৩০টি গাড়ি তল্লাশি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ৭০টি ট্রাকে থাকা প্রায় ৩৫ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করে নদীতে পুনরায় ফেলার প্রক্রিয়া চলছে।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার মিতা বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পরিবেশ বাঁচাতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, মজুত বা পাচারে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। চেকপোস্টে গতরাত থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩০টি গাড়ি তল্লাশি করা হয়। এ সময় প্রায় ৭০টি গাড়িতে সাদাপাথর এলাকার পাথর শনাক্ত হলে সেগুলো পুনরায় প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্রে ব্যাপক লুটপাটের পর জেলা প্রশাসন গত ১৩ আগস্ট একটি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানায়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহকে প্রধান করে গঠিত কমিটি পাথর লুটের ঘটনা অনুসন্ধান করে। ১৭ আগস্টের মধ্যে এ কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।













