ধর্ষণ ও হত্যার জেরে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়েছে ভারত। এবার সহকর্মীর সঙ্গে হওয়া এই নৃশংস ঘটনায় প্রতিবাদে মাঠে নেমেছেন চিকিৎসকরাও। তারা দিয়েছেন ধর্মঘটের ডাক। এর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর পদত্যাগ দাবিতে একদফা দিয়েছে। খবর এনডিটিভি, বিবিসি ও আনন্দবাজার অনলাইনের।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, শুক্রবার থেকেই আমরা মাঠে থাকব। রাজ্য বিজেপি শুক্রবার আর জি কর হাসপাতালের কাছে অবস্থান ধর্মঘট করে। পাশাপাশি বেলা ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজ্যব্যাপী সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। বিকেল ৪টার পর রাজ্য বিজেপির নারী মোর্চা মোমবাতি নিয়ে মিছিল করে। মিছিল যায় মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবন পর্যন্ত। এ সময় পুলিশ ও বিজেপির কর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এরপর দলটির বহু সমর্থককে আটক করে পুলিশ। সুকান্ত মজুমদার আরো বলেন, মমতার পদত্যাগের দাবিতে রাজ্য বিজেপি আন্দোলন অব্যাহত রাখবে। সামনের দিনগুলোয় তারা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করবে। প্রতিবাদ জানাতে গোটা রাজ্য ‘স্তব্ধ করার’ ডাক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
৯ আগস্ট উত্তর কলকাতার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সভাকক্ষে শিক্ষানবিস এক নারী চিকিৎসকের লাশ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন বলছে, ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যেই ভারতের উত্তর প্রদেশে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে এক নার্সকে ধর্ষণের পর হত্যার খবর এসেছে। ৯ দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নার্স উত্তরাখন্ডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করতেন। রাজ্যের সঙ্গে লাগোয়া উত্তর প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছিল তার বাসা। ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ভিডিওতে গত ৩০ জুলাই সন্ধ্যায় রুদ্রপুরের ইন্দ্র চক থেকে ওই নার্সকে একটি ইলেকট্রিক রিকশায় উঠতে দেখা যায়। কিন্তু উত্তর প্রদেশের বিলাসপুরে কাশীপুর রোডে নিজের ভাড়া বাসায় ফেরেননি তিনি। ওই বাসায় নিজের ১১ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে থাকতেন ওই নার্স। পরদিন নার্সের বোন থানায় নিখোঁজের একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এর আট দিন পর ৮ আগস্ট দিবদিবা গ্রামে নিজের বাসা থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে একটি খালি প্লটে তার মরদেহ খুঁজে পায় উত্তর প্রদেশ পুলিশ।













