খালেদা জিয়া : ইসলামের মর্যাদা রক্ষা ও মুসলিম স্বার্থে অগ্রণী নেতৃত্ব

প্রতিবেদক:-

ডেইলি বাংলা বাজার

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে যারা ইসলামী মূল্যবোধ ও মুসলমানদের সামাজিক ও ধর্মীয় স্বার্থ রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন, তাদের তালিকায় বেগম খালেদা জিয়ার নাম প্রথম সারিতেই থাকবে। প্রথমত, তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশি মুসলিম জাতীয়তাবাদের আদর্শ লালন করে দেশ পরিচালনা করেছেন। দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থেকে অন্য অনেক ধর্মীয় রাজনৈতিক নেতার তুলনায় বাস্তবে বেশি সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন। ধর্মীয় রাজনীতিকরা অনেক পরিকল্পনা করলেও অবস্থানগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেসব বাস্তবায়ন করতে পারেননি।দ্বিতীয়ত, গৃহবধূ থেকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বে ওঠার শুরু থেকেই তিনি আলেমসমাজকে কাছে টেনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। ফলে মুসলিম স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাঁর নীতিনির্ধারণে সব সময়ই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়া তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেও পূর্ণ মেয়াদে দুই দফায় দেশ পরিচালনা করেন। প্রথমবার ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং দ্বিতীয়বার ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল।উভয় মেয়াদেই ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তার, আলেমসমাজের মূল্যায়ন, ধর্মীয় স্থাপনার উন্নয়ন, ইসলামী আর্থিক ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার নানা নীতি গ্রহণ করা হয়। আজকের আলোচনায় সমসাময়িক সংবাদমাধ্যম ও রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে প্রমাণসহ সংরক্ষিত কিছু নীতি ও উদ্যোগ পর্যালোচনা করা হলো।

১. সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বজায় রাখা
১৯৯১ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও সংবিধানের প্রস্তাবনায় যুক্ত বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম অপরিবর্তিত থাকে। বরং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার বারবার সংসদে ও সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।২০০৫ সালের সংসদীয় কার্যবিবরণীতেও এ অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

২. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ও ইসলামী শিক্ষা সম্প্রসারণ
১৯৯২-৯৫ মেয়াদে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী স্টাডিজ অ্যান্ড দাওয়াহ অনুষদ বিস্তারে সরকার কয়েকটি নতুন বিভাগ অনুমোদন দেয়। ১৯৯৩ সালের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গেজেটেও অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ আছে।

৩. মসজিদ-মাদরাসা সংস্কার ও ফাজিল-কামিল সনদের সমমান প্রদান
২০০১-২০০৬ মেয়াদে ফাজিল সনদকে ডিগ্রি ও কামিল সনদকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়া হয়। এর ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা মূলধারার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।

https://4d2334d0dd1c0a47a4314ba3db1ff14c.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-45/html/container.htmlএ সময় মাদরাসা উন্নয়নেও বাজেট বৃদ্ধি করা হয়।

৪. কওমি সনদের প্রথম স্বীকৃতি প্রদানের উদ্যোগ
১৯৯২ সাল থেকে কওমি সনদের স্বীকৃতির দাবি ওঠে। ২০০৫ সালে পল্টনে বিশাল সম্মেলন ও পাঁচ দিনের অবস্থান কর্মসূচির পর বেগম খালেদা জিয়া উলামাদের সঙ্গে বৈঠক করে দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় গেজেটও প্রকাশ করে। সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাস্তবায়ন অসম্পূর্ণ থাকলেও এটাই ছিল কওমি সনদের প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

৫. ইসলামী ব্যাংকিং ও শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থার বিস্তার
২০০১-২০০৬ মেয়াদে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও শাখা সম্প্রসারণ পায়। ইসলামী ব্যাংকিং মধ্যবিত্তের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করে এবং এই সময় দ্রুত দেশজুড়ে বিস্তৃত হয়।

৬. জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
২০০৫-২০০৬ সালে জাতীয় ঈদগাহ উন্নয়ন, বায়তুল মোকাররম সংস্কার এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ইমাম-মুয়াজ্জিন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পায়।

৭. আল্লাহর ওলিদের মাজার উন্নয়ন
১৯৯৩ ও ২০০৫ সালে বিভিন্ন মাজারের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়।

৮. মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার
সৌদি আরব, পাকিস্তান, ইউএই, মালয়েশিয়া, ব্রুনাইসহ মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে শ্রমবাজার, শিক্ষা, বাণিজ্য ও কূটনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটে। OIC-এ বাংলাদেশের উপস্থিতিও আরো শক্তিশালী হয়।

৯. ইসলামী ধারার অনুসারীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে অবস্থান
১৯৯২-৯৪ সালে বিভিন্ন ইসলামী ধারার ওপর অভিযোগ উঠলে খালেদা জিয়া সংসদে তদন্তের আশ্বাস দেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে হয়রানি না করার নির্দেশ দেন।

১০. হজ ব্যবস্থাপনা ও ভিসা সমস্যা সমাধান
২০০৩-২০০৬ সালে হজযাত্রী পরিবহনে বিআইএ-কে শক্তিশালী করা হয় এবং সৌদি সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ভিসাপ্রাপ্তি সহজ হয়।

১১. কওমি আলেমদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ স্থাপন
প্রথমবারের মতো কওমি আলেমদের রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা হয়। তাঁদের দলীয় মনোনয়ন দিয়ে সংসদে পাঠানো হয় এবং ওয়াকফ সম্পত্তি, মাদরাসার জমি ও কর-সুবিধাসহ বিভিন্ন প্রণোদনা অনুমোদন করা হয়।

১২. রমজানে বাজার তদারকি ও জাকাত ফান্ড কার্যক্রম
দুই মেয়াদেই রমজানে মূল্য নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ডের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়।

১৩. নবীজিকে নিয়ে অবমাননাকর প্রকাশনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় প্রতিবাদ
২০০৫ সালে ইউরোপে নবীজি সম্পর্কে বিতর্কিত কার্টুন প্রকাশিত হলে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কঠোর নিন্দা জানায়।

সার্বিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে তিনটি দিক বিশেষভাবে স্পষ্ট ছিল :
এক. রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামের মর্যাদা রক্ষা।
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানকে নীতিগতভাবে শক্তিশালী করা।
তিন. মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করা।

এমন অসংখ্য দৃষ্টান্তে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ধারাবাহিক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আল্লাহ এই মহীয়সী নারীকে তাঁর কর্ম অনুযায়ী উত্তম প্রতিদান দিন।

  • যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি বাতিল বা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে লন্ডনের অবস্থানের প্রতি অসন্তোষের জেরে এই মন্তব্য এসেছে বলে দ্য টেলিগ্রাফের  প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।  যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী রেচেল রিভস মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। রেচেল রিভস বলেন, কোনো স্পষ্ট “এক্সিট প্ল্যান” ছাড়া যুদ্ধ শুরু করা একটি বড়…

  • রেফারি ম্যাচ ডাকাতি করেছেন’ বলায় নিষিদ্ধ হতে পারেন রাফিনিয়া

    রেফারি ম্যাচ ডাকাতি করেছেন’ বলায় নিষিদ্ধ হতে পারেন রাফিনিয়া

    চোটের কারণে মাঠের বাইরে রাফিনিয়া। বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান তারকাকে তাই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ক্লাবের ছিটকে পড়া দর্শক হিসেবে দেখতে হয়েছে।  চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারলেও গতকাল রাতে ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। কিন্তু দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলে পিছিয়ে থাকায় বার্সার পথচলা থমকে গেছে। আতলেতিকো উঠে গেছে সেমিফাইনালে।…

  • হঠাৎ ইরান গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, নেপথ্যে কী?

    হঠাৎ ইরান গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, নেপথ্যে কী?

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ফের আলোচনা শুরু করার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার তিনি তেহরানে পৌঁছেছেন। ইরানের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরানে…

  • বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

    বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

    বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম। ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল। তালিকাটি সাধারণত বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও…

  • লোককবি ফকির মহব্বত শাহ

    লোককবি ফকির মহব্বত শাহ

    লোককবি ফকির মহব্বত শাহজামিল জাহাঙ্গীর🇧🇩♥️🇧🇩লোক গবেষক, কবি ও গীতিকার ফকির মহব্বত শাহ—যিনি মনু মহব্বত নামে কবিতা লিখতেন—বৃহত্তর নোয়াখালীর লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একনিষ্ঠ সাধক ছিলেন। ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল তিনি চিরকালের ঠিকানায় পাড়ি জমান। গতকাল ছিল তাঁর দ্বিতীয় প্রয়াণবার্ষিকী—এক নীরব স্মরণ, এক অপূর্ণ দায়ের প্রতিধ্বনি। জনতা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করলেও তাঁর প্রকৃত…

  • চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

    চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

    ইসলামাবাদে দীর্ঘ আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো চুক্তি হয়নি, তবে কয়েকটি বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। তবে এখনো ২ থেকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। তিনি বলেন, ৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া সংঘাতের পর এই আলোচনা…

  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা

    বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা

     অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বিচার বিভাগের কাঠামো ও স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আইনজ্ঞদের আশঙ্কা, এর ফলে বিচার বিভাগ আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে এবং…

  • পরিকল্পিত হামলায়   পীর শামিম রেজাকে  হত্যা, ভাঙচুর-দরবারে আগুন

    পরিকল্পিত হামলায় পীর শামিম রেজাকে হত্যা, ভাঙচুর-দরবারে আগুন

    পরিকল্পিত হামলায় পীর শামিম রেজাকে হত্যা, ভাঙচুর-দরবারে আগুন। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় নামক স্থানে গড়ে ওঠা কথিত এক পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আস্তানার প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিম (৬০) নিহত হয়েছেন। এসময় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে…

  • মহান একুশে বইমেলায়  অংশ নিবে না ৩৫০ প্রকাশনী : বাংলা একাডেমীর ডি. জি’র পদত্যাগ চায়   ‘প্রকাশক ঐক্য’

    মহান একুশে বইমেলায় অংশ নিবে না ৩৫০ প্রকাশনী : বাংলা একাডেমীর ডি. জি’র পদত্যাগ চায় ‘প্রকাশক ঐক্য’

    মহান একুশে বইমেলায় অংশ নিবে না ৩৫০ প্রকাশনী। বাংলা একাডেমীর ডি. জি’র পদত্যাগ চায় ‘প্রকাশক ঐক্য’। বাংলা একাডেমীর চরম অব্যবস্থাপনা ও বৈষম্য অনেক বছর ধরে চলছে। নানাবিধ অনিয়ম ও অযোগ্যতার কারণে এই অচল অবস্থা। বাংলা ভাষার উন্নয়নের জন্য বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা হয়। বইমেলার মতো বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড নিয়ে চরম ব্যস্ত থাকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা । ফলঃত…

  • জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি-নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই বিএনপি সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।  তারেক রহমান বলেন, শুরুতেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি। তাঁবেদার মুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে, জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি নতুন সরকার…

  • আফরোজা খানম রিতার বিপুল বিজয়ের  কারণ সততা, সক্রিয়তা ও পিতার উত্তরাধিকার

    আফরোজা খানম রিতার বিপুল বিজয়ের কারণ সততা, সক্রিয়তা ও পিতার উত্তরাধিকার

    আফরোজা খানম রিতার বিপুল বিজয়ের কারণ সততা, সক্রিয়তা ও পিতার উত্তরাধিকার । জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা। এই বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার নেপথ্যে কয়েকটি বিষয়টি নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা নির্বাচনের…

  • তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা মার্কিন দূতাবাসের

    তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা মার্কিন দূতাবাসের

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।  আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক…