পুঁজিটা খুব বড় ছিল না। তবে প্রতিপক্ষ ভারতের থেকে আত্মবিশ্বাস নিতে পারত পাকিস্তান। কেননা সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১১৯ রান করেও ৬ রানের রোমঞ্চকর জয় পেয়েছিল ভারত। সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়া তো দূরের কথা ভারতের কাছে পাত্তাই পেল না ভারত।
প্রথম ম্যাচে ওমানকে বড় ব্যবধানে হারানো পাকিস্তান ৭ উইকেটের পরাজয় দেখেছে। বিপরীতে ২৫ বল হাতে রেখে পাওয়া জয়ে নিজেদের শেষ চারের পথটাও পরিস্কার করে রাখল ভারত। কেননা দুই জয়ে ৪ পয়েন্টে শীর্ষে আছে সূর্যকুমার যাদবের দল। সঙ্গে ৪.৭৯৩ নেট রানরেটটাও ঈর্ষনীয়।
প্রতিপক্ষকে ১২৮ রানের লক্ষ্য দিয়ে হারাতে হলে শুরুতেই দারুণ কিছু করতে হতো পাকিস্তানকে। কিন্তু বল হাতে নিয়েই তোপের মুখে পড়েন ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের মান রক্ষা করা শাহীন শাহ আফ্রিদি। প্রথম দুই বলে ৪, ৬ হাঁকিয়ে পেশি শক্তির জানান দেন অভিষেক শর্মা। ৩১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে বিদায় নেওয়ার আগে পাকিস্তানি বোলারদের শান্তিতে বোলিং করতে দেননি ভারতীয় ওপেনার।২৩৮.৪৬ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি সাজান ৪ চার ও ২ ছক্কায়।
অভিষেকের এমন ব্যাটিং তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে ৬ ওভারে ৬১ রান তোলে ভারত। উইকেট হারায় দুটি। সাইম আইয়ুবের শিকার হওয়ার আগে তার ওপেনিং সঙ্গী শুবমান গিলও ফেরেন পাকিস্তানের অফস্পিনারের ক্যারম বলে। ৬.৪ রানের বিপরীতে ওভার প্রতি ১০.১৬ করে তোলায় পাওয়ার প্লেতেই বলা যায় ম্যাচ শেষ হয়ে যায়।













