হজম ও পেটের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে পারে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার। তাই সম্প্রতি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ‘ফাইবার’ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই সবাই বেশি পরিমাণে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে!
‘ফাইবারম্যাক্সিং’ কী
ব্যক্তির শারীরিক পরিস্থিতি ও বয়স অনুসারে দৈনিক ডায়েটের ক্যালরি নির্ধারিত হয়।সেখানে ফাইবারের পরিমাণ সর্বাধিক করার প্রবণতাকেই ‘ফাইবারম্যাক্সিং’ বলা হয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন বেশি পরিমাণে ফাইবার খাওয়া। একজন প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩৮ গ্রাম ফাইবার খাওয়া উচিত।
ফাইবারের প্রকারভেদ
মূলত দুই ধরনের ফাইবার হয়।দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয়। ফাইবার দ্রবণীয় হলে তা হজম প্রক্রিয়ার গতি ধীর করে। অন্যদিকে, অদ্রবণীয় ফাইবার হজম প্রক্রিয়ার গতি বাড়ায়। পুষ্টিবিদদের মতে, এই দুই ধরনের ফাইবারই যাতে দৈনন্দিন ডায়েটে থাকে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত।













