উচ্চারণ : ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইউল কাইয়ুম, লা তাখুজুহু সিনাতুন ওয়ালা নাওম, লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদি, মান জাল্লাাজি ইয়াশফাউ ইনদাহু ইল্লাহ বিইজনিহি, ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়া লা ইউহিতুনা বিশাইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শাআ, ওয়াসিআ কুরসিইউহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, ওয়ালা ইয়াইউদুহু হিফজুহুমা ওয়া হুয়াল আলিইউল আজিম। ’
আয়াতুল কুরসির অর্থ : ‘আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নাই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিন্দ্রা স্পর্শ করে না। আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব তাঁরই। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে তা তিনি অবগত। যা তিনি ইচ্ছা করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না।
তাঁর ‘কুরসি’ আকাশ ও পৃথিবীময় পরিব্যাপ্ত; এদের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। আর তিনি মহান, শ্রেষ্ঠ। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৫৫)
হাদিসে আয়াতুল কুরসি পাঠের একাধিক উপকারের কথা এসেছে। যেমন—
১. মৃত্যুর পর জান্নাত : আবু উমামা আল বাহিলি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যুর ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৯৯২৮)
২. কোরআনের সবচেয়ে সম্মানিত আয়াত : আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রতিটি জিনিসের একটি চূড়া থাকে।













