এর আগে তাকে গাজীপুর জেলা কারাগারে রাখা হয়। সেখানে সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘণ্টা ছিলেন মাহি। জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে খাবার খেতে দেওয়া হয়। কারাগারের নিয়ম-কানুন শেষে তাকে সাধারণ বন্দিদের ওয়ার্ডে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন গাজীপুর জেলের সিনিয়র জেল সুপার আনোয়ারুল করিম।
বিকেল ৫টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন তার জামিন মঞ্জুর করার পর জামিনের কাগজপত্র সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কারাগারে পৌঁছয়। এরপর প্রায় ৮টার দিকে তাকে কারামুক্তি দেওয়া হয়।
কারাগারের সুপার মো. আনোয়ারুল করিম বলেন, ‘আমরা তার জামিনের খবর পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে কারাফটকে এনেছি। পরে জামিনের কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ৭টা ৫০ মিনিটে তাকে স্বজনদের হাতে তুলে দিয়েছি।’
এর আগে বেলা পৌনে ১২টার দিকে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাহিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
দুপুর দেড়টার দিকে মাহিয়া মাহিকে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুই মামলায় তাকে জামিন দেন আদালত।













