বিপিএলে ধারাবাহিক সুযোগ পেলে ভালো করতাম : আশরাফুল
এই বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিং করেই তার ক্যারিয়ার বলতে গেলে শেষ হয়ে গিয়েছিল। পাঁচ বছর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারও ফিরেছেন ক্রিকেটে। সদ্য সমাপ্ত বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসর ছিল তার জন্য অ্যাসিড টেস্ট। যেহেতু এই বয়সে তিনি জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখেন, তাই নির্বাচকদের নজরে আসার জন্য তাকে ভালো পারফর্ম করতেই হতো। কিন্তু হলো তার উল্টোটা। বাজে পারফর্মেন্স করায় একাদশেই সুযোগ পাননি তিনি!
বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে করেন ৩ রান। পরের ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে করেন ২২। এরপর আর একাদশে সুযোগ হয়নি। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটের বিপক্ষে আবারও সুযোগ পেয়ে ‘ডাক’ মারেন। এর আগেই তার জায়গায় একাদশে এসে সবাইকে চমকে দেন নবাগত ইয়াসির আলী। চট্টগ্রামের এই তরুণ এতটাই দারুণ ব্যাটিং করেছেন যে, অ্যাশকে আর একাদশে ফেরানোর প্রয়োজনই মনে করেনি চিটাগং ফ্র্যাঞ্চাইজি। ফ্র্যাঞ্চাইজি দলেই বিবেচনায় আসেননি আশরাফুল, জাতীয় দলে কীভাবে ফিরবেন?
বিপিএলে নিজের পারফর্মেন্স নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আশরাফুল বলেন, ‘বিপিএলটা ভালো হয়নি। সুযোগ আমি একটু কম পেয়েছি। দ্বিতীয় ম্যাচে ২২ করার পর আসলে বাদ পড়ে হতাশ হয়েছি। যদি ধারাবাহিক সুযোগ পেতাম তাহলে আরও ভালো খেলার সম্ভাবনা থাকত। ডিপিএলে গত বছর ভালো খেলেছিলাম, কিন্তু দল ভালো করতে পারেনি। তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো হয়েছিল। সেটাই এবার করতে চাই। শুরু থেকে ভালো করতে চাই।’
আশরাফুল আসন্ন ডিপিএলে নজর দিলেও এবার তার পারিশ্রমিক এক টাকাও বাড়েনি। গত লিগে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে খেলা আশরাফুল ৫টি সেঞ্চুরি করেছিলেন। কিন্ত সেগুলোর চারটিতেই দল হেরেছে। এবার তাকে দলে নিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। পারিশ্রমিক পাচ্ছেন সেই ১৫ লাখ টাকা। ডিপিএলের আগে টি-টোয়েন্টিতে নিজেকে প্রমাণের আরেকটা সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। কারণ ছোট করে হলেও দেশীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে বিসিবি।
একসময়ের ‘লিটল মাস্টার’ কি পারবেন সুযোগটা কাজে লাগাতে?













